Sunday, August 7, 2022

‘মিষ্টি মেয়ে’ কবরীকে হারানোর এক বছর

ঢাকাই সিনেমার ‘মিষ্টি মেয়ে’ সারাহ বেগম কবরী। আজ (১৭ এপ্রিল) তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। গত বছর করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

১৯৫০ সালের ১৯ জুলাই চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে জন্মগ্রহণ করেন কবরী। তার আসল নাম ছিল মিনা পাল। নায়িকার বাবা শ্রীকৃষ্ণদাস পাল এবং মা লাবণ্য প্রভা পাল।

১৯৬৩ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে নৃত্যশিল্পী হিসেবে মঞ্চে উঠেছিলেন তিনি। এরপর ১৯৬৪ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কবরীর। ১৯৬৫ সালে অভিনয় করেন ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’য়, ১৯৬৮ সালে ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘আবির্ভাব’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’। ১৯৭০ সালে ‘দীপ নেভে নাই’, ‘দর্পচূর্ণ, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বিনিময়’ ছবিগুলোতে নজর কাড়েন তিনি।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভারতে পাড়ি জমান কবরী। সেখানে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। ৫০ বছরের বেশি ক্যারিয়ারে রাজ্জাক, ফারুক, সোহেল রানা, উজ্জ্বল, জাফর ইকবাল ও বুলবুল আহমেদের মতো অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তবে রাজ্জাক-কবরী জুটি ছিলেন ঢাকাই সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয়।

অভিনয়ের পাশাপাশি কবরী ছিলেন একজন পরিচালক ও প্রযোজক। সর্বশেষ সরকারি অনুদানের একটি সিনেমার নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন। কিন্তু শেষ করে যেতে পারেননি। চলচ্চিত্রাঙ্গনের বাইরে ২০০৮ সালে নারায়ণগঞ্জের একটি আসন থেকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।

Latest news

00

Related news