Saturday, August 6, 2022

শিল্পী হিসেবে এগুলো আত্মসম্মানে লাগে: মুনমুন

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটি একের পর এক বিতর্কে জড়াচ্ছে। চেয়ার বিতর্ক শেষ না হলেও বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সমালোচিত হচ্ছেন কাঞ্চন-নিপুণরা। গত পহেলা বৈশাখের উপহার এবং ইফতার অনুষ্ঠান নিয়ে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন সমিতির সদস্য।

রোববার (২৪ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ করে নিপুণ আক্তার সমর্থিত সদস্য জয়া চৌধুরী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে লিখেন, গত পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি থেকে শিল্পীদের বাসায় বাসায় বৈশাখী উপহার পাঠানো হয়। আমিও শিল্পী সমিতির একজন সদস্য। কিন্তু আমাকে সমিতি থেকে কোনো উপহার পাঠানো হয়নি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।

তবে জয়া মেসেঞ্জারে ইফতার অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেয়েছিলেন। কিন্তু সেটি অমর্যাদাকর ভেবে বর্জন করেছেন জানিয়ে তিনি লিখেন, গত ২২ এপ্রিলের (শুক্রবার) ইফতার অনুষ্ঠানে শেষ বেলায় দাওয়াত দিলেও সেটি একজন শিল্পী হিসেবে আত্মসম্মানে লেগেছে, তাই ইফতার বর্জন করেছি। গত নির্বাচনে জায়েদ খান ভাইকে ভোট দিলেও এবার নিপুণ আক্তার আপাকে ভোট দিই। কিন্তু তার পুরস্কার সদ্য দুটি ঘটনা…।

জয়ার ফেসবুক পোস্টে শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক শাহনূর একটি মেসেঞ্জার স্ক্রিনশট পোস্ট করে লিখেন, জয়া তোমাকে আমি ২০ তারিখে কার্ড দিয়েছি, আমাদের ইফতার ছিল ২২ তারিখ। তুমি থ্যাংকস দিয়েছো আবার কেন বলছো কার্ড পাওনি? আমি স্ক্রিনশট দিয়ে দিয়েছি এখানে।

তবে মেসেঞ্জারে একটি কার্ড পাঠিয়ে দাওয়াত দেয়াকে লজ্জাকর মনে করছেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকে। তাদের ভাষায়, সদস্য হিসেবে জয়া একটি ফোন কল পেলেও পেতে পারতেন।

প্রশ্ন রেখে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা মুনমুন বলেন, এর আগে শিল্পী সমিতির যত অনুষ্ঠান হয়েছে তার সব দাওয়াত কার্ড যথা সময়ে সম্মানের সাথে বাসায় আসতো। তবে এবারের নতুন কমিটি মেসেঞ্জারে একটি কার্ড পাঠিয়ে দিয়ে দায় সারতে চেয়েছিলেন। এগুলো শিল্পী হিসেবে আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। মেসেঞ্জারে দিচ্ছে এগুলো কি ইনভাইটেশন?

সম্প্রতি মুনমুন বলেন, নির্বাচনের দিন থেকেই একটি প্যানেল আমাকে নানাভাবে ছোট করে আসছে। আমার এত দিনের ক্যারিয়ারে দাগ দিয়েছে। সেসব না হয় বাদ দিলাম। আমি তো আজকের শিল্পী না। আমাকে কেন ইফতার কিংবা বৈশাখী উপহার দেওয়া হবে না। আমরা তো উপহারের জন্য বসে থাকি না, আমরা চাই সম্মান।

Latest news

00

Related news